পশ্চিম নাইজারে চলতি সপ্তাহে ধারাবাহিক হামলায় সন্দেহভাজন জিহাদিরা কমপক্ষে ২০ জন সেনাকে হত্যা করেছে বলে জানা গেছে। একটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। আবিদজান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।
বুধবারের হামলা বুরকিনা ফাসো ও মালির সীমান্ত লাগোয়া তিল্লাবেরি অঞ্চলে ঘটে। যেখানে আল-কায়েদা ও ইসলামিক স্টেট (আইএস) এর সাথে যুক্ত জিহাদি গোষ্ঠীগুলো সক্রিয় রয়েছে। একজন প্রাক্তন স্থানীয় কর্মকর্তা এএফপি’কে জানিয়েছেন, ‘তিল্লাবেরি এলাকায় দু’টি পৃথক ঘটনায় সেনাদের মধ্যে অসংখ্য মৃত্যু হয়েছে’।
প্রাক্তন কর্মকর্তা বলেছেন, ‘সন্ত্রাসীদের হাতে ২০ জন সৈন্য নিহত হয়েছে। অন্য সূত্রগুলো সেনা এবং জাতীয় রক্ষী বাহিনীর সদস্যদেরসহ সামগ্রিকভাবে নিহতের সংখ্যা আরও বেশি বলে জানিয়েছে।
ওয়াম্যাপসের সাহেলে নিরাপত্তা সংবাদে বিশেষজ্ঞ পশ্চিম আফ্রিকার একদল সাংবাদিক বুধবারের বেশ কয়েকটি হামলার জন্য আইএসের একটি শাখাকে দায়ী করেছেন। বৃহস্পতিবার এক্স-এ ওয়াম্যাপস জানিয়েছে, তারা ‘টিলাবেরি বিমানবন্দরের কাছে নাইজারের সেনা অবস্থানে হামলাসহ একাধিক হামলা চালিয়েছে, যার ফলে নাইজার সশস্ত্র বাহিনীর ১২ জন সেনা নিহত হয়েছে"।
ওয়াম্যাপস আরও জানিয়েছে, দিগ্গা বান্দা পাড়ার মধ্যাঞ্চলীয় তিল্লাাবেরিতে একটি স্কুলের কাছে আরো দুটি হামলা চালানো হয়েছে। ওই হামলায় কমপক্ষে দুইজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। ওয়াম্যাপস জানিয়েছে, এই হামলার জবাব দিতে গিয়ে ন্যাশনাল গার্ডের ১৫ জন সৈন্য নিহত হয়েছে।
২০২৩ সালে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত দেশটির প্রাক্তন নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ একটি নাগরিক সমাজের জোট জি-২৫ তিল্লাবেরিতে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ বলে নিন্দা জানিয়েছে এবং এই হামলার জন্য আইএসের আঞ্চলিক শাখাকে দায়ী করেছে। হমলায় ১২ জন সেনা এবং ১৫ জন ন্যাশনাল গার্ড সদস্য নিহত হয়েছেন।
বুধবার, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ নাইজার কর্তৃপক্ষকে তিল্লাবেরি অঞ্চলে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য আরো বেশি কিছু করার আহ্বান জানিয়েছে। যা মার্চ মাস থেকে ধারাবাহিকভাবে আইএস হামলার টার্গেটে পরিণত হয়েছে।
সূত্র: এএফপি
এসজেড