ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধসে নিহত বেড়ে ১৭

জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার পরিচালক ইউধি ব্রামান্ট্যো বলেন, উদ্ধার অভিযানে হাজার হাজার উদ্ধারকর্মী অংশগ্রহণ করেছেন।
  • অনলাইন ডেস্ক | ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬
ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধসে নিহত বেড়ে ১৭ ইন্দোনেশিয়া।

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে আজ সোমবার ১৭ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানা গেছে। ভূমিধসে উদ্ধার অভিযান তৃতীয় দিনের মতো চলছে। দেশটির একজন দুর্যোগ কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। গত শনিবার ভোরে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট ভূমিধস জাভার পশ্চিম বান্দুং অঞ্চলের একটি গ্রামে আঘাত হানে।  যার ফলে আবাসিক এলাকাটি ধ্বংসস্তূপে ঢেকে যায় এবং কয়েক ডজন লোক তাদের বাড়িঘর ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।


দেশটির জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার মুখপাত্র আব্দুল মুহারি সোমবার এক বিবৃতিতে বলেন, পশ্চিম বান্দুংয়ে ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা ১৭ তে পৌঁছেছে। তিনি এখনও কতোজন মানুষ নিখোঁজ রয়েছে সেই সম্পর্কে কোনও হালনাগাদ তথ্য দেননি। গতকাল পর্যন্ত রোববার প্রায় ৮০ জন নিখোঁজ ছিল।


উদ্ধারকারীরা বলেন, ‘অস্থিতিশীল মাটি এবং খারাপ আবহাওয়ার কারণে আরেকটি ভূমিধসের আশঙ্কা থাকায়  আমরা সাবধানে পদক্ষেপ নিচ্ছি। ২৫ বছর বয়সী উদ্ধারকর্মী রিফালদি আশাবি বলেন, ‘আমরা সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন যে বিষয়টি নিয়ে তাহলো পরবর্তীতে (ভূমিধ্বসের) ঝুঁকি রয়েছে। যখন আমরা উদ্ধার কার্যক্রমে থাকি, তখন আমরা ভূমিধসের সম্ভাবনা রয়েছে এমন বিষয়ের দিকে নজর দিই না।’


জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার পরিচালক ইউধি ব্রামান্ট্যো বলেন, আজ সোমবারের উদ্ধার অভিযানে হাজার হাজার উদ্ধারকর্মী অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন, তারা নিখোঁজদের খুঁজে বের করার জন্য ম্যানুয়াল খনন বা হাতে খনন কাজ করছেন এবং ভারী যন্ত্রপাতিও মোতায়েন করা হয়েছে।


দেশটিতে গত বছরের শেষের দিকে সুমাত্রা দ্বীপের কিছু এলাকায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে প্রায় ১,২০০ জনের মৃত্যু হওয়ার পর এই ভূমিধসের ঘটনাটি ঘটে। অক্টোবর থেকে মার্চ  মাস পর্যন্ত বর্ষাকালে বিশাল দ্বীপপুঞ্জ জুড়ে এই ধরনের দুর্যোগ সাধারণ ঘটনা। চলতি মাসে, ইন্দোনেশিয়ার সিয়াউ দ্বীপে মুষলধারে বৃষ্টিপাতের ফলে আকস্মিক বন্যায় কমপক্ষে ১৬ জনের মৃত্যু হয়।


সূত্র: এএফপি


এসজেড