ঢাকা | বঙ্গাব্দ

স্পেনে প্রবেশ চেষ্টায় ৩ হাজার মৃত্যু

নথিভুক্ত ৩ হাজার ৯০টি মৃত্যুর বেশিরভাগই ঘটেছে আফ্রিকা থেকে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে যাওয়ার আটলান্টিক অভিবাসন পথে।
  • অনলাইন ডেস্ক | ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
স্পেনে প্রবেশ চেষ্টায় ৩ হাজার মৃত্যু অভিবাসী নৌকা।

এ বছর স্পেনে পৌঁছানোর চেষ্টাকালে তিন হাজারের বেশি অভিবাসী প্রাণ হারিয়েছে বলে সোমবার প্রকাশিত একটি স্প্যানিশ অভিবাসন অধিকার সংস্থার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সোমবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা কমে যাওয়ায় ২০২৪ সালের তুলনায় মৃতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। মাদ্রিদ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।


অভিবাসন অধিকার সংস্থা কামিনান্দো ফ্রন্টেরাস (ওয়াকিং বর্ডারস) জানায়, ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত নথিভুক্ত ৩ হাজার ৯০ জনের মৃত্যুর বেশিরভাগই ঘটেছে আফ্রিকা থেকে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে যাওয়ার আটলান্টিক অভিবাসন পথে, যা বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক রুট হিসেবে পরিচিত। ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে অভিবাসী আগমনের সংখ্যা ‘উল্লেখযোগ্যভাবে’ হ্রাস পেলেও গিনি থেকে যাত্রা করা একটি ‘নতুন, আরো দূরবর্তী ও আরো বিপজ্জনক’ রুটের উদ্ভব হয়েছে।


কামিনান্দো ফ্রন্টেরাস পরিবারগুলোর কাছ থেকে পাওয়া তথ্য এবং উদ্ধারকৃতদের সরকারি পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। নিহতদের মধ্যে ৪৩৭ শিশু ও ১৯২ জন নারী রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। আলজেরিয়া থেকে যাত্রা করা নৌকার সংখ্যাও বেড়েছে, যেগুলোর গন্তব্য মূলত ভূমধ্যসাগরের অবকাশযাপন দ্বীপ ইবিজা ও ফরমেন্তেরা। 


প্রথাগতভাবে আলজেরীয়রা এই রুট ব্যবহার করলেও ২০২৫ সালে সোমালিয়া, সুদান এবং দক্ষিণ সুদান থেকে আসা অভিবাসীদের সংখ্যা বেড়েছে। সংস্থাটির তথ্যমতে, এ রুটে মৃতের সংখ্যা এ বছর দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৭ জন, যা ২০২৪ সালের তুলনায় বেশি। ২০২৪ সালে সাগরপথে স্পেনে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে গিয়ে অন্তত ১০ হাজার ৪৫৭ অভিবাসী নিহত বা নিখোঁজ হন, যা ২০০৭ সালে তথ্য সংগ্রহ শুরুর পর থেকে সর্বোচ্চ।


স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলতি বছরের ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩৫ হাজার ৯৩৫ জন অভিবাসী স্পেনে পৌঁছেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪০ শতাংশ কম। তাদের প্রায় অর্ধেকই পশ্চিম আফ্রিকার উপকূল থেকে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে যাওয়ার আটলান্টিক অভিবাসন পথ ব্যবহার করেছে।


সূত্র: এএফপি


এসজেড