ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আসন্ন বৈঠকের আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা বলেছেন, ইউক্রেন সমর্থনে কোনও ভাটা পড়বে না। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান উরসুলা ভন ডার লিয়েন ও আন্তোনিও কস্তা শনিবার এই প্রতিশ্রুতির কথা ব্যক্ত করেন। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
আজ রোববার ফ্লোরিডায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের বৈঠকের কথা রয়েছে। এই বৈঠকের আগে জেলেনস্কি কয়েকজন নেতার সঙ্গে এক ফোনালাপে অংশ নেন। শনিবার জেলেনস্কি হ্যালিফ্যাক্সে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গেও বৈঠক করেছেন।
ভন ডার লিয়েন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বলেন, ‘আমরা আমাদের যৌথ লক্ষ্যের দিকে নিয়ে যায় এমন সব প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানাই। একটি ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী শান্তি যা ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা সংরক্ষণ করবে। এটি আমাদের মহাদেশের নিরাপত্তার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ইউক্রেনের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে শক্তিশালী করবে বলে আশা করি।’
ভন ডার লিয়েন বলেন, ‘২০২৬ সালে ইউরোপীয় কমিশন ক্রেমলিনের ওপর চাপ অব্যাহত রাখবে। ইউক্রেনের প্রতি আমাদের সমর্থন চলমান থাকবে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদের পথে ইউক্রেনকে এগিয়ে নিতে জোরালোভাবে কাজ করবে।’
২৭টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্বকারী ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তাও ইউক্রেনকে সমর্থন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি এক্সে এক বার্তায় লেখেন, ‘ইউক্রেনের প্রতি ইইউর সমর্থন অটুট থাকবে। এই সমর্থন যুদ্ধে, শান্তি কিংবা পুনর্গঠনের সময়েও থাকবে।’ কস্তা সতর্ক করে বলেন, প্রয়োজনে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে ইইউ প্রস্তুত।
তিনি বলেন, ইইউর বিভিন্ন পদক্ষেপ ‘ইউক্রেনকে আরও শক্তিশালী করছে’, যার মধ্যে রয়েছে ‘রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা বাড়ানো এবং প্রয়োজন হলে আরও ব্যবস্থা নেওয়া। ইইউর মধ্যে একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ ইউক্রেন একটি মৌলিক নিরাপত্তা নিশ্চয়তা। আমরা আমাদের মার্কিন অংশীদারদের সাথে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতায় ইউক্রেনের জন্য একটি শক্তিশালী এবং স্থায়ী শান্তির জন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।’
সূত্র: এএফপি
এসজেড