ঢাকা | বঙ্গাব্দ

১১ শতাধিক অধিবাসীর মালি থেকে পলায়ন

চলতি সপ্তাহে ১৮৮টি পরিবার এবং ২৪ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ১ হাজার ১৬১টি পরিবার মৌরিতানিয়ায় প্রবেশ করেছে।
  • অনলাইন ডেস্ক | ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
১১ শতাধিক অধিবাসীর মালি থেকে পলায়ন মালি।

মালিতে চলমান নিরাপত্তাহীনতা থেকে পালিয়ে চলতি সপ্তাহে আরও ১ হাজার ১শ’র বেশি মানুষ মৌরিতানিয়ায় প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।


আন্তর্জাতিক সংস্থাটি বলেছে, নতুন করে আসা এই শরণার্থীদের জন্য পরিস্থিতি অত্যন্ত ‘কঠিন’ হয়ে পড়েছে। ইউএনএইচসিআর-এর তথ্যমতে, গত দুই মাসে মালির রাজধানী বামাকোসহ বিভিন্ন অঞ্চলে জিহাদিদের অবরোধের পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৭ হাজার ৩১০ জন শরণার্থী মৌরিতানিয়ায় আশ্রয় নিয়েছে।


সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মালিতে একাধিক অবরোধ চালানো হয়েছে, যা আল-কায়েদা-সংশ্লিষ্ট জিহাদি সংগঠন জামাআত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) পরিচালনা করছে। ২০১২ সাল থেকে সংগঠনটি সহিংস কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে, যার ফলে দেশটি দীর্ঘস্থায়ী নিরাপত্তা সংকটে পড়েছে। এ সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে অপরাধী চক্রগুলোর তৎপরতা।


প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেসামরিক মানুষ প্রায়ই সহিংসতার শিকার হচ্ছে। সেনাবাহিনী, তাদের রুশ মিত্র কিংবা জিহাদি—সব পক্ষই তাদের শত্রুপক্ষকে সহযোগিতার অভিযোগ তুলে সাধারণ নাগরিকদের ওপর হামলা চালাচ্ছে।


ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, অক্টোবরের শেষ দিক থেকে মালির পরিস্থিতি ‘অত্যন্ত অস্থিতিশীল’ এবং এই নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে প্রতিবেশী মৌরিতানিয়ায় শরণার্থীদের ঢল অব্যাহত রয়েছে। চলতি সপ্তাহে ১৮৮টি পরিবার এবং ২৪ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ১ হাজার ১৬১টি পরিবার মৌরিতানিয়ায় প্রবেশ করেছে। 


তবে প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়েও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নতুন আসা শরণার্থীদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা বেশি। পাশাপাশি বৃদ্ধদের সংখ্যাও ক্রমেই বাড়ছে। অনেক শরণার্থী অনানুষ্ঠানিক সীমান্ত পথ ব্যবহার করে মৌরিতানিয়ায় প্রবেশ করায় তাদের শনাক্তকরণ, নিবন্ধন ও মানবিক সহায়তা প্রদান কঠিন হয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছে ইউএনএইচসিআর। আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি শরণার্থীদের সুরক্ষা ও দেখাশোনার জন্য অতিরিক্ত সহায়তা ও সম্পদের আহ্বান জানিয়েছে।


সূত্র: এএফপি


এসজেড