ঢাকা | বঙ্গাব্দ

নোয়াখালীতে হাদির জন্য দোয়া চাওয়াকে কেন্দ্র করে হামলার অভিযোগ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক | ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫
নোয়াখালীতে হাদির জন্য দোয়া চাওয়াকে কেন্দ্র করে হামলার অভিযোগ ফাইল ছবি

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ উসমান হাদির আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া চাওয়াকে কেন্দ্র করে গণঅধিকার পরিষদের এক সদস্যের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা এ হামলায় জড়িত। এতে নুরনবী টিপু (৪৫) নামে ওই ব্যক্তি গুরুতর আহত হন। বর্তমানে তিনি নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।


শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) জুমার নামাজ শেষে সদর উপজেলার কাদির হানিফ ইউনিয়নের জসিম চেয়ারম্যান বাড়ি সংলগ্ন বায়তুল জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।


আহত নুরনবী টিপুর বাবা আবদুল মালেক অভিযোগ করে বলেন, “জুমার নামাজ শেষে আমার ছেলে হাদির জন্য দোয়া চাইলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা এতে বাধা দেয়। একপর্যায়ে কথা-কাটাকাটির জেরে তারা আমার ছেলের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা লাঠিসোঁটা ও কিল-ঘুষি দিয়ে তাকে মারধর করে গুরুতর জখম করে।” পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।


আহত নুরনবী টিপুর ছেলে জিসান বলেন, “একজন মানুষের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া চাওয়ার কারণে এভাবে হামলা চালানো অমানবিক। যারা এ হামলায় জড়িত, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”


ADVERTISEMENT


নোয়াখালী-৪ আসনের গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আব্দুজ জাহের বলেন, “আহত নুরনবী টিপু নোয়াখালী জেলা গণঅধিকার পরিষদের সদস্য। ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ উসমান হাদির জন্য জুমার নামাজ শেষে দোয়া চাওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ফখরুল, সোহাগ, এনায়েতউল্লাহ, আনোয়ারসহ কয়েকজন ক্যাডার তার ওপর হামলা চালায়। গণঅভ্যুত্থানের পরও প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় আওয়ামী লীগ এখনও সক্রিয় রয়েছে।” তিনি অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান এবং তা না হলে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।


এ বিষয়ে নোয়াখালী সদর সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, “হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন। এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


thebgbd.com/NIT