চুয়াডাঙ্গায় প্রতিদিনই এক থেকে দুই ডিগ্রি করে তাপমাত্রা হ্রাস পাচ্ছে। হিমেল বাতাসে শীতের প্রকোপ বেড়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শীতজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা হাসপাতালগুলোতে দ্রুত বাড়ছে। শয্যার তুলনায় চার থেকে পাঁচ গুণ বেশি রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের ডায়রিয়া ও শিশু ওয়ার্ডে প্রায় ১৫৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন আছেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শিশু কনসালটেন্ট ডাক্তার মাহবুবুর রহমান মিলন জানান, তিন থেকে চার দিন ধরে জেলায় শীতের তীব্রতা বাড়ায় শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, ঠান্ডা, শ্বাসকষ্ট, ব্রংকাইটিসসহ বিভিন্ন রোগ বেশি দেখা যাচ্ছে। শিশু ওয়ার্ডে ১৫ শয্যার বিপরীতে বর্তমানে ৭৩ জন শিশু ভর্তি রয়েছে, যা শয্যার তুলনায় প্রায় চার গুণ বেশি। এতে চিকিৎসক, নার্স ও দায়িত্বরতদের রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ৮১ জন রোগী ভর্তি আছেন। বহির্বিভাগেও প্রতিদিন ২০০ থেকে আড়াইশো শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে বলে জানান তিনি।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, হিম ঠান্ডা বাতাসের কারণে শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হচ্ছে। ডিসেম্বরের শুরু থেকেই প্রতিদিন দেড় থেকে দুই ডিগ্রি তাপমাত্রা হ্রাস পাচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার আগের দিন বুধবার সকাল ছয়টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জেলায় তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।
thebgbd.com/NIT