ঢাকা | বঙ্গাব্দ

সবুজ প্রিজনভ্যানে ট্রাইব্যুনালে হাজির দুই সেনা কর্মকর্তা

জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় রাজধানীর রামপুরায় ২৮ হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলামসহ দুই সেনা কর্মকর্তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় আসামি হিসেবে রয়েছেন চারজন।
  • নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৪ নভেম্বর, ২০২৫
সবুজ প্রিজনভ্যানে ট্রাইব্যুনালে হাজির দুই সেনা কর্মকর্তা ছবি : সংগৃহীত।

জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় রাজধানীর রামপুরায় ২৮ হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলামসহ দুই সেনা কর্মকর্তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় আসামি হিসেবে রয়েছেন চারজন।


সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঢাকার সেনানিবাসের বিশেষ কারাগার থেকে বাংলাদেশ জেল-প্রিজন ভ্যান লেখা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সবুজ রঙের গাড়িতে করে কড়া নিরাপত্তায় বিজিবি কর্মকর্তা রেদোয়ানুল ইসলাম এবং বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা মেজর মো. রাফাত বিন আলমকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়।


এদিন ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ বিষয়ে শুনানি হবে। এ মামলায় পলাতক দুই আসামির পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগসহ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের দিনও ধার্য হতে পারে আজ।


এর আগে সেনা হেফাজতে থাকা রেদোয়ান ও রাফাতকে গত ২২ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে আনা হয় এবং তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। পলাতক আসামিদের হাজিরের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়েছে।


এই মামলায় মোট চারজন আসামি রয়েছেন। তাদের মধ্যে দুইজন পলাতক। রেদোয়ানুল ছাড়া অপরজন হলেন- বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা মেজর মো. রাফাত বিন আলম। পলাতকরা হলেন- ডিএমপির খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান।


দুই সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা উপলক্ষ্যে হাইকোর্ট ও ট্রাইব্যুনালের মূল ফটকসহ আশপাশের এলাকায় জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব-বিজিবি এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরাও টহল দিচ্ছেন।


জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় দেশজুড়ে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চলে, যার মধ্যে রামপুরায় নিহত হন ২৮ জন। অভিযোগ রয়েছে, বিজিবি কর্মকর্তা রেদোয়ানুল ইসলামকে আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি ছুড়তে দেখা যায় এবং অন্যরাও এই হত্যাযজ্ঞে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এই ঘটনায় চারজনের বিরুদ্ধে আলাদা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।


thebgbd.com/NA