২০০৯ সালে রিও-প্যারিসে একটি এয়ার ফ্রান্স বিমান দুর্ঘটনায় ২২৮ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় সোমবার এয়ার ফ্রান্স ও এয়ারবাসের বিরুদ্ধে সোমবার আপিল আদালতে পুনরায় বিচার শুরু হয়েছে। প্যারিস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি একথা জানিয়েছে।
২০০৯ সালের ১ জুন তারিখে এয়ার ফ্রান্সের ফ্লাইট এএফ৪৪৭ রিও ডি জেনেইরো থেকে প্যারিসের পথে আটলান্টিক মহাসাগরের উপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় পাইলটরা বিমানটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং সেটি আটলান্টিক মহাসাগরে বিধ্বস্ত হয়। নিহতদের মধ্যে ৭২ জন ফরাসি নাগরিক ও ৫৮ জন ব্রাজিলের নাগরিক ছিলেন। এটি ফরাসি পতাকাবাহী এয়ারলাইন্সের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। দুর্ঘটনায় বিমানের সকল আরোহী নিহত হয়।
দুই বছর আগে একটি আদালত সিদ্ধান্ত নেয় যে কোম্পানিগুলো ভুল করেছে কিন্তু দুর্ঘটনার কারণ প্রমাণিত হয়নি, তখন বিমান সংস্থা এবং বিমান নির্মাতা উভয়কেই অনিচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়া হয়। এই রায়ে নিহতদের পরিবার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় এবং আদালতের সিদ্ধান্তে তারা ‘বিস্মিত ও ব্যথিত’ বলে মন্তব্য করে।
যদিও ২০২৩ সালের বিচারে রাষ্ট্রপক্ষ নিজেই অভিযোগ প্রত্যাহারের জন্য অনুরোধ করে, তবুও তারা পরবর্তীতে ‘আইনি আপিল পদ্ধতির পূর্ণ সম্ভাবনা’ কাজে লাগানোর জন্য আপিল দায়ের করে। যাতে আইনগত সব সম্ভাব্য পদ্ধতি ব্যবহার করা যায়। ২৭ নভেম্বর আপিলের ওপর রায় হওয়ার কথা রয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে কোম্পানি দুটির ২ লাখ ২৫ হাজার ইউরো (প্রায় ২ লাখ ৬৪ হাজার ডলার) পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে এবং তাদের সুনামেও বড় আঘাত আসতে পারে।
সূত্র: এএফপি
এসজেড