যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সোমবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। কাতারে ইসরায়েলের বিমান হামলা গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টাকে ভেস্তে দিতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র। জেরুজালেম থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।
এক সপ্তাহ আগে রুবিও ফরাসি নেতৃত্বাধীন জাতিসংঘের এক সম্মেলনে সংহতি সফরের সময়সূচি ঠিক করেন। ওই সম্মেলনে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় আসবে, যা নেতানিয়াহুর ডানপন্থী সরকার তীব্রভাবে বিরোধিতা করছে। কিন্তু আলোচনায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। কারণ গত সপ্তাহে ইসরায়েল কাতারে হামলা চালায়। সেখানে হামাস নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের নতুন যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করছিলেন। এতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনও বিপাকে পড়ে।
নেতানিয়াহুর দীর্ঘদিনের সমর্থক ট্রাম্প রোববার আবারও কাতারের পক্ষে অবস্থান নেন। কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বিমান ঘাঁটি রয়েছে এবং দেশটি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সন্তুষ্ট করতে বিলাসবহুল একটি বিমান উপহারও দিয়েছে। ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, কাতার খুবই গুরুত্বপূর্ণ মিত্র। ইসরায়েলসহ অন্য সবাইকে সাবধান হতে হবে। যখন আমরা হামলা করি, তখন সতর্ক হতে হবে।
শনিবার ওয়াশিংটন ছাড়ার আগে রুবিও বলেন, স্পষ্টতই আমরা এ হামলায় খুশি নই। তবে এখন আমাদের এগিয়ে যেতে হবে এবং পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে তা ঠিক করতে হবে। রুবিও জানান, তিনি নেতানিয়াহুর সঙ্গে গাজা সিটি দখল নিয়ে ইসরায়েলের সামরিক পরিকল্পনা এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পথ বন্ধ করতে পশ্চিম তীরের কিছু অংশ সংযুক্ত করার বিষয়ে সরকারের কথাবার্তা নিয়ে আলোচনা করবেন। রুবিও বলেন, ট্রাম্প চান গাজা যুদ্ধের যাতে অবসান হয়। এর অর্থ হবে বন্দিদের মুক্তি এবং হামাসকে আর যাতে ‘হুমকি’ হয়ে দাঁড়াতে না পারে।
সূত্র: এএফপি
এসজেড